Connect with us

Inspirational

জীবনের আক্ষেপ কমানোর কিছু উপায়

Published

on

কে না চায় বলুন কোনো আক্ষেপ ছাড়া শান্তিতে জীবনটা পার করে দিতে? আজকে আপনি যে অবস্থায় আছেন সেখানে আসার পেছনে কাজ করছে আপনার অনেক ছোট-বড় নানা সিদ্ধান্ত। তেমনই আজ আপনি যে সিদ্ধান্তটি নিয়েছেন তার ওপর নির্ভর করছে আপনার ভবিষ্যৎ। সেই ভবিষ্যৎটা শান্তির হতে পারে, আক্ষেপেরও হতে পারে। কিন্তু আমরা তো আক্ষেপ নিয়ে বাঁচতে চাই না। তাহলে আমাদের কী করা উচিত? কীভাবে আমরা রক্ষা পেতে পারি আক্ষেপের হাত থেকে? এমনই কিছু বিষয় নিয়ে এখানে আলোচনা করব। কিন্তু তার আগে আমাদের যেটা জানতে হবে সেটা হচ্ছে আক্ষেপ জিনিসটা আসলে কই?

 

ধরুন, আপনি আজ রাতের ট্রেনে আপনার বন্ধুর বিয়ের দাওয়াতে যাবেন। আপনি বাসা থেকে ঠিক এক ঘণ্টা সময় নিয়ে বের হলেন স্টেশনের উদ্দেশ্যে। কিন্তু রাস্তায় অনেক জ্যাম থাকায় আপনি সময়মতো স্টেশনে পৌঁছাতে পারলেন না। ট্রেনটি আপনাকে রেখেই যাত্রা শুরু করে দিল। সেই সময়ে নিশ্চয়ই আপনার মনে হবে আর ৩০ মিনিট আগে বাসা থেকে বের হলে আপনি আপনার বন্ধুর বিয়েটা মিস করতেন না? এই অনুভূতিটার নামই আক্ষেপ। আক্ষেপ হচ্ছে সেই অনুভূতি যখন আমরা ভাবি যে আমাদের বর্তমান পরিস্থিতি আরও ভালো হতে পারতো যদি অতীতে আমাদের কোনো একটি কাজ বা সিদ্ধান্ত অন্যরকম হতো। অর্থাৎ আক্ষেপ করার জন্য দুটো জিনিস দরকার। এক, একটি ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া। দুই, কল্পনাশক্তি।

 

হ্যাঁ, আক্ষেপ অনুভব করতে হলে আপনাকে কল্পনা করতে হবে। আপনি যে সময়ে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন আপনার মন সেখানে ফিরে যাবে এবং কল্পনায় সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন, তারপর সেই সিদ্ধান্তের আপনার বর্তমান পরিস্থিতির ওপর কী প্রভাব পড়ত সেটা ভাবতে থাকবেন। এবং আপনার কল্পনাশক্তি যত প্রখর, আক্ষেপও ততই প্রখর হবে। ঠিক এ কারণেই ২০ মিনিটের জন্য ট্রেন ধরতে না পারার চেয়ে ২ মিনিটের জন্য ধরতে না পারা বেশি কষ্টকর। কারণ এই ২ মিনিটকে ভিন্নভাবে কল্পনা করা তুলনামূলকভাবে অনেক সহজ।

 

বলা হয়ে থাকে মানুষের সবচেয়ে বড় ভয় মৃত্যু নয়, আক্ষেপ নিয়ে মৃত্যু। আক্ষেপ ধীরে ধীরে রূপ নিতে পারে বিষণ্ণতায়ও। এখন প্রশ্ন হচ্ছে কীভাবে এই আক্ষেপ থেকে দূরে থাকা যাবে?

 

নিজেকে ক্ষমা করতে শিখুন

 

আমরা সবাই ভুল করি। কিন্তু খুব কম মানুষই সেই ভুলগুলোকে ভুলে যেতে পারি। ভুল করা একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু তার জন্য দিনের পর দিন নিজেকে দোষারোপ করতে থাকা স্বাভাবিক না। যতই আপনি আপনার অপরাধবোধগুলো বয়ে বেড়াবেন, আপনার আক্ষেপ ততই বাড়বে। তাই নিজেকে ক্ষমা করতে শিখুন। লম্বা একটা নিঃশ্বাস নিন এবং নিজেকে বলুন, “আমি আমার সব ভুলের জন্য নিজেকে ক্ষমা করলাম।

 

“Inner peace can be reached only when we practice forgiveness. Forgiveness is letting go of the past, is therefore the means for correcting our misperceptions.” -Gerald Jampolsky  

 

একটু সময় নিন এবং ভাবুন। আপনি যখন ভুল করেছিলেন সেই সময়ের আপনি আর এখনকার আপনি কি একইরকম? এই ভুলের অভিজ্ঞতাটা আপনাকে কিছুটা হলেও পাল্টে দিয়েছে। আপনি আপনার ভুল বুঝতে পেরেছেন এবং একজন অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানসম্পন্ন মানুষই নিজের করা ভুল্গুলোকে ধরতে পারে। এই উপলব্ধি আপনাকে অনেকাংশেই একজন ভিন্ন মানুষে পরিণত করেছে। তাই আগের মানুষটার করা কাজের জন্য এখনকার পরিবর্তিত আপনাকে কষ্ট দেওয়ার কোনো মানে হয় না।

 

কেউই নিখুঁত না

 

‘ভুল’ মানবজীবনের অবিচ্ছেদ্য একটি অংশ। ভুলই আমাদের বেড়ে উঠতে সাহায্য করে, নতুন জিনিস শিখতে সাহায্য করে। ভুলই আমাদেরকে নতুন এবং আরও ভালো ব্যক্তিত্ত্ব গড়ে তুলতে সাহায্য করে। নিজের উন্নতি করার চেষ্টা করা আর নিজেকে নিখুঁত বানানোর চেষ্টা করা দুটো ভিন্ন জিনিস। কোনো মানুষই নিখুঁত হতে পারে না। আপনি যাকে নিজের আদর্শ মনে করেন তিনিও অনেক trial & error এর মধ্যে দিয়েই আজকের জায়গায় এসেছেন। আমাদের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত প্রতিদিন শুধুমাত্র গতকালের চেয়ে ভালো, উন্নত একজন মানুষ হয়ে ওঠা। নিখুঁত হওয়ার আশা করলে পদে পদে আক্ষেপ এসে আপনাকে জেঁকে ধরবে।

 

Imperfection is beauty, madness is genius and it’s better to be absolutely ridiculous than absolutely boring. -Marilyn Monoroe

 

ভুল থেকে শিক্ষা নিন

 

নিজেকে ক্ষমা করার পরের পদক্ষেপটি হচ্ছে ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া। নিজেকে প্রশ্ন করুন এই অভিজ্ঞতাটি থেকে আপনি কী শিখেছেন? এই অভিজ্ঞতাটি আপনাকে কী বলতে চাইছে? আপনার কি কোনো কাজ আরও বেশি বেশি করা উচিত? নাকি কোনো কাজ করা কমিয়ে ফেলা উচিত? কী করলে আপনি এই ভুলটি আবারও করবেন না? জীবনের কঠিনতম অভিজ্ঞতাগুলো সবসময়ই আমাদের কিছু না কিছু শেখায়। যদি আপনি একটি অভিজ্ঞতা থেকে কিছু শিখতে পারেন এবং সেই শিক্ষাকে পরের অভিজ্ঞতায় কাজে লাগাতে পারেন তাহলে সেটাই আপনার কারণে পরিণত হবে। তাহলেই আপনি আক্ষেপবিহীন জীবনযাপন করতে পারবেন।

 

নিজের স্বপ্নকে কখনো ভুলে যাবেন না

 

স্বপ্ন সেটা নয় যেটা মানুষ, ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখে; স্বপ্ন সেটাই যেটা পূরণের প্রত্যাশা মানুষকে ঘুমাতে দেয় না এ পি জে আব্দুল কালাম

 

একটি হাসপাতালে ১০০ জন বৃদ্ধ মানুষের ওপর করা একটি পরিসংখ্যানে দেখা যায় তাঁদের প্রায় সবার জীবনের সবচেয়ে বড় আক্ষেপ কোনো ভুল কাজ করা নয়, বরং কোনো বিশেষ কিছু না করতে পারা, কোনো স্বপ্ন, কোনো আকাঙ্ক্ষা পূরণের চেষ্টা না করা। জীবন মানে শুধু সারা সপ্তাহ একঘেয়ে কাজ, একটি ক্লান্ত শুক্রবার এবং নিজের স্বপ্ন পূরণের জন্য সেই বিশেষ ‘কোনো একদিন’ এর অপেক্ষা করা নয়। সুখী হতে চাইলে আপনাকে তার জন্য চেষ্টা করতে হবে। আর সেই চেষ্টার শুরুটা যেন হয় আজই। সঠিক সময়ের অপেক্ষা করতে থাকলে সেই সঠিক সময় কখনোই আসবে না।

 

একটি এরোপ্লেন মাটিতে থাকা অবস্থায় অনেক দ্রুত কর্মক্ষমতা হারাতে থাকে। কিন্তু যখন সেই প্লেনটিই আকাশে ওড়ে তখন সেটার নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম। কারণ প্লেন জিনিসটা তৈরিই করা হয়েছে আকাশে ওড়ার জন্য। মাটিতে পড়ে থাকা তার কাজ নয়। মানুষও ঠিক তেমনি।

 

প্রত্যেকটা মানুষেরই একটি বিশেষ ক্ষমতা আছে। হয়তো আপনি খুব ভালো ছবি আঁকতে পারেন। বা হয়তো খুব ভালো গান গাইতে পারেন। আপনার বিশেষ গুণটাকে কাজে লাগান এবং আপনার দক্ষতার বিষয়টিকে আপনার পেশায় পরিণত করুন। তাতে আপনার পুরোটাই লাভ। নিজের ভালো লাগার কাজ করে আনন্দও পাবেন, আবার আনন্দের সাথে কাজ করলে তাতে সাফল্যের সম্ভাবনাও বেশি। সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য কখনোই দেরি হয়ে যায় না। তাই বয়সের গণ্ডিতে বাঁধা না পড়ে আপনার আদর্শকে অনুসরণ করুন এবং সেই অনুযায়ী আপনার উপযোগী কাজটি আজই বেছে নিন। নাহলে হয়তো জীবনের শেষ দিনগুলোতে অনেক ‘যদি…’ এর সম্মুখীন হতে হবে।

 

আক্ষেপ নিয়ে আক্ষেপ করা ছেড়ে দিন

 

বার বার আপনাকে আক্ষেপ করতে নিষেধ করা মানেই এটা নয় যে আক্ষেপ থাকা কোনো অন্যায়। বরং ভুল করার মতোই সেই ভুল নিয়ে আফসোস করাও আমাদের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি। আমাদের মস্তিষ্কের বিশেষ একটি অংশের কাজই হচ্ছে আমাদের মাঝে অপরাধবোধ তৈরি করা। যাকে আমরা ‘অবৈজ্ঞানিক‘ ভাষায় বিবেক বলে থাকি। আর বিজ্ঞানীদের ভাষায় মস্তিষ্কের কর্টেক্সের সমস্যার কারণে কিছু মানুষ প্রচণ্ড ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরও তা নিয়ে আক্ষেপ অনুভব করে না। একজন স্বাভাবিক সুখী মানুষের মত জীবনযাপন করতে চাইলে আপনাকে পুরোপুরি আক্ষেপ ছাড়া বাঁচতে হবে এমন কোনো কথা নেই। কিন্তু আপনাকে আক্ষেপ কাটিয়ে উঠে বাঁচা শিখতে হবে। সীমিত সময়ের আফসোসকে সারা জীবনের আক্ষেপে পরিণত হতে না দিয়ে এগিয়ে যান। একটি নতুন দিন আপনার জন্য অপেক্ষা করছে।

 

আক্ষেপ দূরে রাখার জন্য অনেকেরই নিজস্ব একটি উপায় থাকে। আপনি কি কখনো নিজের আক্ষেপ দূর করার জন্য বিশেষ কিছু করেছেন? কমেন্টের মাধ্যমে আমাদের সাথে আপনার সেই অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করুন আমাদের সাথে। হয়তো আপনার আইডিয়াটি কাজে লেগে যাবে অন্য কারও!

Please follow and like us:
error0
Tweet 20
fb-share-icon20

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Inspirational

মাস্টার মাইন্ডের রহস্য

Published

on

“মাস্টার মাইন্ড” আপনি হয়তো নামটা প্রথম বারের মতো শুনেছেন। প্রথম শুনাটাই স্বাভাবিক। কেননা আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থায় কোথাও এ নিয়ে কোনো আলোচনা করা হয়নি। তাই আজকে আমরা আলোচনা করবো সাফল্য অর্জনের মৌলিক পথ মাস্টার মাইন্ড নিয়ে।

প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক মাস্টার মাইন্ড কিঃ

দুই বা ততোধিক মানুষ যখন কোনো একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য একসাথে সম্মিলিত ভাবে প্রচেষ্টা চালায়। তখন তাকে মাস্টার মাইন্ড গ্রুপ বলে। মাস্টার মাইন্ড গ্রুপ সর্ব প্রথম  নেপোলিয়ন হিল এবং এন্ড্রু কার্নেগি আবিষ্কার করেন। ১৯২৫ সালে হিল তার “দ্যা লো অব সাকসেস ” বইয়ে এ নিয়ে আলোচনা করেন। এন্ড্রু কার্নেগী ২৫ জন সদস্য নিয়ে তার মাস্টার মাইন্ড গ্রুপ গঠন করেছিলেন এবং স্টিলের ব্যাবসার মধ্য দিয়ে তারা প্রত্যেকেই বিত্তবান হয়েছিলেন। তাছাড়া অতিথের অনেক সফল ব্যাক্তিরাই মাস্টার মাইন্ড গ্রুপ ব্যবহার করে নিজেদের উদ্দেশ্য সাধন করেছেন।

তাদের মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হলেনঃ

বিখ্যাত ফোর্ড মোটর কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা – হেনরি ফোর্ড।

পৃথিবীকে আলোকিত করা বিজ্ঞানী – থমাস আলভা এডিসন।

মোবাইল ফোন আবিস্কারক – আলেকজেন্ডার গ্রাহামবেল। 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৬তম প্রেসিডেন্ট – থিওডোর রুজভেল্ট। 

বিখ্যাত প্রকৌশলি – চার্লস এম শওয়াব।

মার্কিন উদ্যোক্তা – জন ডি রকফেলার। সহ আরো অনেকের সাফল্যের পিছনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে মাস্টার মাইন্ড।

এছাড়াও পড়তে পারেনঃ সফলতার শীর্ষে পৌছাতে কেন একজন পথ প্রদর্শকের প্রয়োজন?

কেন মাস্টার মাইন্ড গ্রুপ করবেনঃ

একটা মাস্টার মাইন্ড গ্রুপে একেক জন ব্যাক্তি ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ে দক্ষ হয়ে থাকেন। যার ফলে যে কোনো উদ্দেশ্য দ্রুত সাধন করা যায়।

এ নিয়ে ওয়ালেস ডি ওয়াটলেন তার বেস্টসেলার বই “দ্যা সায়েন্স অব গেটিং রিচ” বইয়ে খুব সুন্দর একটি উদাহরণ দিয়েছেন। উদাহরণটা ছিল এরকম – মনে করা যাক, একটা মাসিক পত্রিকার কথা। একটা মাসিক পত্রিকা বের করতে প্রয়োজন হয় একদল মানুষের। এই মানুষ গুলোর থাকবে নানা গুন। একজন সম্পাদনা করবেন, কেউ কম্পোজের কাজ করবেন, কেউ লেখা জোগাড় করবেন, কেউ লিখবেন, কেউ প্রুফ দেখবেন, কেউ বিজ্ঞাপন জোগাড় করবেন, কেউ ছাপাবেন, কেউ বাধাইয়ের কাজ করবেন, কেউ বা পত্রিকাটি বাজারজাত করবেন। তবেই একটা পত্রিকা পরিপূর্ণভাবে বের করা সম্ভব হবে।উপরের কাজ গুলো কোনো একজন মানুষের একার পক্ষে করা সম্ভব নয়। এখানে ১০ জন মানুষ ১০টি ভিন্ন কাজে দক্ষ। এভাবে যদি কোনো একটা নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে একদল মানুষ নিজেদের জ্ঞান ও দক্ষতা কে কাজে লাগায় তাহলে যে কোনো অসাধ্য সাধন করতে পারবে।

কিভাবে মাস্টার মাইন্ড তৈরি করবেনঃ

একটা মাস্টার মাইন্ড গ্রুপে যে কোনো একজন মানুষকে নেতৃত্ব দিতে হবে। এবং সবার সাথে সমান ব্যবহার করতে হবে। তা না হলে এ গ্রুপে ফাটল ধরতে পারে। মাস্টার মাইন্ড তৈরি করার পূর্বে যে ৫ টি বিষয়ের উপর সচেতনতা অবলম্বন করতে হবে। তা হলোঃ

১। প্রথমেই আপনার পরিচত একদল মানুষের নামের লিস্ট করে নিন। যাদের আপনি আপনার গ্রুপে রাখতে চান।

২। তারপর লিস্ট করা প্রত্যেকটা ব্যাক্তিকে নিয়ে গভীর ভাবে অনুধাবন করুন। এ ক্ষেত্রে নিজেকে কিছু প্রশ্ন করতে পারেন। আমার লিস্ট করা প্রত্যেকটা ব্যাক্তি কি যথেষ্ট পরিশ্রমী? তারা কি যে কোনো কঠিন পরিস্থিতিতে ইতিবাচক থাকবে? তাদের উপর কি বিশ্বাস করা যায়? কোন কোন কাজে তাদের বিশেষ দক্ষতা আছে?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, তবেই তাদের আপনার মাস্টার মাইন্ড গ্রুপে যুক্ত করতে পারেন।

৩। আপনাদের গ্রুপের উদ্দেশ্য কি? গন্তব্য কোথায়? এ প্রশ্ন গুলোর উত্তর পরিষ্কার করে নিন।

৪। যে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করার পূর্বে তাদের সাথে আলোচনা করে নিন এবং দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক মিটিংয়ের ব্যাবস্থা করতে পারেন।

৫। মাস্টারমাইন্ড গ্রুপ করার পর যদি কেউ নিজের কাজ নিয়ে উদাসীন থাকে, তাহলে তাকে গ্রুপ থেকে ছাটাই করে ফেলুন।

মাস্টার মাইন্ড ব্যবহার করে একজন মানুষ একাধিক মানুষের সাহায্য নিয়ে নিজের উদ্দেশ্য হাসিল করতে পারেন এবং এর ফল সবাই মিলে ভোগ করবেন।

Please follow and like us:
error0
Tweet 20
fb-share-icon20

Continue Reading

Inspirational

বিখ্যাত স্টার্টআপ কীভাবে শুরু হয়েছিল এই সম্পর্কে গল্পগুলি প্রমাণ করে যে কিছুই অসম্ভব নয়

Published

on

সবাই জীবনে সফলতা অর্জন করতে চায়, তা সে যেই অবস্থায় থাকুক না কেন। আমরা সবাই জীবনে এমন কিছু যোগ করতে চাই যা আমাদের জীবনকে সুন্দর করবে। সফল মানুষদের গল্পগুলো থেকে কিভাবে নিজের স্বপ্ন বাস্তবে রূপান্তর করতে হয় আমরা সেই শিক্ষাই পাই এবং বর্তমান সময়ে সারা বিশ্বজুড়ে স্টার্টআপগুলোর মাধ্যমে নিজের স্বপ্নগুলো সফল করার পথ বেছে নিচ্ছে অনেক উদ্যমী তরুণ।

এই আর্টিকেলে আমি জানাবো বিখ্যাত কিছু স্টার্টআপ কীভাবে শুরু হয়েছিলো। আশা করি এটি আপনাকে অনুপ্রাণিত করবে যা আপনার নিজের স্বপ্নের রাস্তায় এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

এছাড়াও পড়তে পারেনঃ সফল হতে এড়াতে হবে যে বিষয়গুলো

Instagram

Kevin Systrom – Founder of Instagram

Kevin Systrom নামে একজন ব্যাক্তি প্রোগ্রামিং কোড শিখতে চাইছিলো, সে সিদ্ধান্ত নিল তার কাজের সময়ের পর নিজে নিজে শিখবে এবং সেই ইচ্ছা থেকেই সে কিছু মোবাইল অ্যাপ নিয়ে কাজ করা শুরু করলো। ফলাফল, সে Instagram নামে একটা ফটো অ্যাপ স্টোরে আপলোড করে সোমবার, যা কিনা ঠিক পরেরদিন মঙ্গলবারেই অ্যাপ স্টোরে জনপ্রিয় হয়ে যায়।

Uber

Uber suspends hundreds of accounts after rider diagnosed with ...
Source

একজন স্কুল ড্রপ আউট তার একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা শুরু করে। কিন্তু অবৈধ লাভ গ্রহনের কারণে তাকে বেশ বড় অংকের জরিমানা দিতে হয়েছিলো। এর পরও তার নতুন কিছু করে দেখানোর স্বপ্ন এবং সাহস শেষ হয়ে যায়নি। ২০১০ সালে সে Uber নামে নতুন প্রকল্প শুরু করে যার জন্য সে অর্থায়ন পায় এবং বর্তমানে এর মূল্য প্রায় ১৭ বিলিয়ন ডলার।

Alibaba

Alibaba founder Jack Ma steps down as chairman - MarketWatch
Source

Jack Ma নামে একজন ব্যাক্তি যে কিনা তার কর্ম জীবনে প্রায় সবরকম চেষ্টা বিফলে গিয়েছিলো, ইংলিশ জানতোনা বলে তার অনেক কষ্ট করতে হয়েছিলো, এমনকি বলার মত তার এমন কোন বড় যোগ্যতাও ছিল না। কিন্তু এসবকিছুর পরও তার নিজস্ব চিন্তা থেকে তৈরি করা প্রতিষ্ঠান যার নাম “আলিবাবা”, ব্যাবসাক্ষেত্রে পৃথিবীকে এক নতুন ধারনা দেয়।

LinkedIn

How to view profiles anonymously on linkedin ? – Tech101
Source

একজন ব্যাক্তি সামাজিক মাধ্যমের এমন একটি ধারনা থেকে কাজ শুরু করে যা কিনা শুধুমাত্র প্রফেশনাল কাজে লাগবে এমন মানুষদের সাথে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হবে। শুরুতে সে তার পরিচিত ৩৫০ জন বন্ধুদের তার এই ওয়েবসাইটে জয়েন করায়। ২০০৩ সালে যখন সে আনুষ্ঠানিকভাবে LinkedIn শুরু করে তখন সকলেই তার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানায় এবং বর্তমানে তার এই সম্পদের মূল্য ১ বিলিয়ন ডলারের বেশী।

Pinterest

Pinterest Reaches 60% of US Women; Here's What They're Searching ...
Source

একজন ব্যাক্তি চাকরী ছেড়ে দিয়ে তার আরও দুইজন বন্ধুর সাথে কাজ করা শুরু করে। তারা বেশ কিছু মোবাইল অ্যাপ বানায় যার যার কোনটাই কোন জনপ্রিয়তা পায়নি। কিন্তু তারা নতুন কিছু চিন্তা করা থামিয়ে দেয়নি। তারা নতুন কিছু করার চিন্তা এবং গবেষণা বাড়িয়ে দেয় এবং পরবর্তীতে ২০১০ সালে Pinterest তৈরি করে যা বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ২৫ মিলিয়নেরও বেশী মানুষ ব্যবহার করে।

Airbnb

Airbnb policy lapse allows for human trafficking and modern slavery
Source

দুইজন বন্ধু তাদের বাসা ভাড়া দিতে পারছিল না তাই তারা তাদের বাসায় অন্য মানুষদের থাকতে দিত যারা অল্প সময়ের জন্য বিভিন্ন কাজে আসতো এবং তাদের কাছ থেকে ভাড়া নিত। এতে যারা থাকতো তাদের হোটেলের মত এতো খরচ হতো না এবং দুইবন্ধু সময়মত তাদের বাসা ভাড়া দিতে পারতো।

তাদের এই আইডিয়া দ্রুত চারপাশে ছড়িয়ে পরে এবং তারা ১১২ মিলিয়ন ডলার অনুদান পায় এই আইডিয়া এর উপর আরও বড় পরিসরে কাজ করার জন্য।

Angry Birds

Angry Birds (game) | Angry Birds Wiki | Fandom
Source

৩ জন ব্যাক্তি ৫১টি মোবাইল অ্যাপ তৈরি করে যার জন্য তারা কোন সফলতাই পায়নি এবং তারা প্রায় হাল ছেড়ে দিচ্ছিল যে তাদের দিয়ে কিছুই হবে না। তাদের ৫২ তম অ্যাপটি ছিল Angry Birds নামে একটি গেম যা ইতিহাস তৈরি করলো এবং তাদের জীবন পরিবর্তন করে দিল।

এই স্টার্টআপ গুলোর বিস্তারিত ঘটনা আপনারা অনলাইন থেকে জেনে নিতে পারবেন কিন্তু ছোট এই আলোচনার মূল উদ্দেশ্য হলো, আমরা কেউই আমাদের ভবিষ্যতে ঠিক কি হতে যাচ্ছে তা ঠিক করে বলতে পারি না এবং ঠিক কোন মুহূর্তে আমাদের জীবনে ভালো পরিবর্তন আসবে সেটা ধারনা করতে পারবো না। কিন্তু যা করতে পারবো সেটা হলো হাল না মেনে এগিয়ে যাওয়া এবং নিজের যোগ্যতা আরও বাড়ানো। এই মানসিকতাই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে এবং সফল হতে সাহায্য করবে।

Please follow and like us:
error0
Tweet 20
fb-share-icon20

Continue Reading

Inspirational

৬ টি বিস্ময়কর জিনিস ঘটে যখন তুমি নিজের উৎসাহ অনুযায়ী কাজ করো

Published

on

তুমি কি একবার চিন্তা করেছো, তোমার প্রতিটি দিন যদি সেই কাজগুলো করে কাটতো যেগুলোতে তোমার সবচেয়ে বেশী উৎসাহ, তাহলে কত রোমাঞ্চক হতো জীবনটা? তোমার মানসিক উত্তেজনা ঠিক সেই সময়ের মত হতো যখন তুমি জীবনের লক্ষ্য ঠিক করতে গিয়ে চিন্তা করতে গিয়ে মনের শ্রেষ্ঠ ইচ্ছার কথা ভাবতে।

কিন্তু এইরকমটা হয়না, কারণ আমরা বাস্তবতার মাঝে আমাদের উৎসাহগুলো পেছনে ফেলে আসি। কিন্তু এই “বাস্তবতা” বিষয়টা আসলে কি? এবং কেনই না বাস্তবতার কারণে আমাদের স্বপ্ন এবং মনের ইচ্ছাগুলোকে ভুলে যেতে হয়?

একটা জবাব প্রায়ই আসে যে সমাজ আমাদের স্বপ্নগুলো নিয়ে আমাদের বেশিদূর আগাতে সাহায্য করে না। তাই আজকে তোমাকে জানাই, সমাজ যখন তোমার স্বপ্ন আর তোমার উৎসাহকে ভুল সিদ্ধান্ত বলে বিভ্রান্ত করবে, ১০টি বিস্ময়কর জিনিস তোমার মধ্যে ঘটবে যখন তুমি তোমার উৎসাহ অনুযায়ী জীবন ঠিক করবে।

১. আত্মবিশ্বাস বাড়ে

সবাই জানে যে মানুষ তার নিজের পছন্দের কাজের মাধ্যমে সকলের কাছে পরিচিত হতে পছন্দ করে। কিন্তু এটাও সত্যি যে মানুষ নিজের পছন্দের কথা সকলের কাছে প্রকাশ করতে পারে না। যখন তুমি অন্যের অভিমতগুলো উপেক্ষা করে নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকতে পারবে, তোমার নিজের আগ্রহের কথা প্রকাশ করতে কোন দ্বিধা বোধ করবে না।

প্রায় সময়েই তুমি যখন অন্যের অভিমতগুলো উপেক্ষা করতে পারো না, তোমাকে এমন একটা জীবন গ্রহণ করতে হয় যা অন্যের কাছে গ্রহণযোগ্য। তোমার নিজের উপর বিশ্বাস ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে এবং ধীরে ধীরে তুমি সমাজ, বন্ধু-বান্ধব এবং পরিবারের কথামত চলতে শুরু করো। এটা হয় কারণ তুমি যা করছ তাতে তোমার খুবই কম নিয়ন্ত্রন থাকে। খুব সহজের এই কাজগুলো তোমার কাছে বোঝা বলে মনে হয় এবং ভয়ংকর ব্যাপার হচ্ছে আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়ার কারণে সমাজে টিকে থাকার ভয় সবসময় তোমার মধ্যে তাড়া করতে থাকে।

কারণটা খুব সহজ, তুমি যখন এমন কাজ করে জীবন পাড় করছ যা তোমাকে মানসিক শান্তি দিচ্ছেনা, সেই কাজে তুমি কখনোই তোমার সর্বোচ্চ দিতে পারবে না। ফলাফল, সাধারন এবং ভীত একটা জীবন তোমাকে সারাক্ষণ পীড়া দিতে থাকবে।

২. মানসিক অশান্তি কমে যাবে

চাকরী জীবনের অশান্তি হচ্ছে প্রাপ্ত বয়স্কদের হার্ট অ্যাটাক, উচ্চ রক্তচাপ এবং অন্যান্য রোগের মূল উৎস।

প্রথমেই মানসিক অশান্তির ব্যাপারটা তোমাদের কাছে একটু পরিষ্কার করি। ব্যাপারটা এমন নয় যে তোমার মনের ইচ্ছা মত কাজ করলে মানসিক অশান্তি হবে না। কিন্তু, নিজের ইচ্ছা থেকে যে কাজ তুমি করো, সে কাজে কোন চ্যালেঞ্জ আসলে সেটা মোকাবেলা করার একটা ইচ্ছাও তোমার মধ্যে জন্ম নেয় এবং সেটাই সফলতার জন্য সবচেয়ে বেশী কার্যকর।

আর যারা নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী কাজ করেনা তাদের কাছে প্রত্যেকটা কাজই বিরক্তিকর মনে হয় এবং কাজ করার দিকে মনোযোগ না দিয়ে কাজ শেষ হবার সময়ের দিকে বেশী নজর দেয়। চিন্তা করে দেখো, এরকম মানসিক অশান্তি আর আক্ষেপ নিয়ে প্রতিটা দিন পাড় করা কতটা যন্ত্রনাদায়ক।

৩. কাজের পরিপূর্ণতা

“বাঁচার জন্য কাজ করা” – এর থেকে ভয়ংকর বাস্তবতা আর হতে পারে না। তোমার নিজেকে সারাক্ষণ বন্দি মনে হবে কারণ, তোমার কাজ পাওয়া অর্থ থেকেই তোমার বাড়ি ভাড়া, খাওয়া দাওয়া থেকে সবকিছু নির্ভরশীল। তাই কাজ যতই অপছন্দের হোক না কেন, আমাদের নিজেকে সেই কাজের মধ্যেই রাখতে হয় আর যা করতে উৎসাহ ছিল সেটা জীবন থেকেই দূরে সরিয়ে দিতে হয়। এটা বাস্তবতা মেনেই সারাটা জীবন পাড় করে ফেলছি তাই না? কিন্তু একবারও কি এভাবে চিন্তা করে দেখেছো, তোমার এই কাজের কোন পরিপূর্ণতাই পাচ্ছে না শুধুমাত্র তুমি তোমার কাজটি উপভোগ করতে পারছ না তাই।

যারা নিজের উৎসাহ অনুযায়ী কাজ করে তাদের দিকে লক্ষ্য করে দেখো, কাজ থেকে প্রাপ্তি কি হচ্ছে সেটা তাদের মূল মনোযোগের বিষয় নয় বরং সেটা আরও কিভাবে ভালো করা যায় সেটা নিয়ে তারা চিন্তা করতে থাকে। কাজের এই পরিপূর্ণতাই সময়ের সাথে এর সঠিক মূল্যায়ন করে।

৪. কর্ম জীবনে ভারসাম্য আনার দক্ষতা

বলা হয়, যদি তুমি তোমার উৎসাহ অনুযায়ী কাজ করো, তাহলে তোমার আর কর্ম জীবনের ভারসাম্য নিয়ে কোন সমস্যা হবে না। তার মানে হলো কর্ম জীবনের ভারসাম্যহীনতা নিয়ে সমস্যা তখনই আসে, যখন আপনার কাজের সময়টা আপনাকে মানসিকভাবে তৃপ্তি দেয় না।

যখন তুমি তোমার উৎসাহ অনুযায়ী কাজ করবে, তখন তোমার মনেই হবে না তোমার কাজের সময় তোমার জীবন থেকে আলাদা। আর এই মানসিকতাই তোমাকে শান্ত আর সুখী রাখবে।

৫. জীবন নিয়ে আক্ষেপ কম হবে

দিন শেষে, মানুষ সেই সকল কাজ নিয়ে আক্ষেপ করে না যা তারা করেছে, বরং সেই কাজগুলো নিয়ে আক্ষেপ করে যা তারা করতে পারেনি।

ভেবে দেখো, তুমি কাজের মাধ্যমে তোমার স্বপ্ন আর উৎসাহের পেছনে ছুটে বেড়াচ্ছো। এবার ভেবে দেখো, তুমি অন্য কারো কাছে কি কি কারণে তোমার স্বপ্ন আর উৎসাহগুলো থেকে সরে আসতে হয়েছে এই নিয়ে আক্ষেপ করছো। যা বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষের সাথেই হয়ে থাকে। সমাধান এখন তোমার কাছে। জীবন একটাই আর এই জীবন নিয়ে আক্ষেপ করে বেঁচে থাকাটা কোন সমাধান হতে পারে না।

৬. আত্ম উন্নতি ঘটবে

নিজের উৎসাহ এবং স্বপ্নের পেছনে না ছোটার মূল কারণ হলো অনিশ্চয়তা। অনেক সময়ই আমরা নিশ্চিত হতে পারি না যে নতুন কিছু করে দেখানোর স্বপ্নটা বাস্তবায়নের জন্য আমি উপযুক্ত কি না অথবা আমার এই স্বপ্ন অর্থনৈতিকভাবে আমাকে স্বাবলম্বী রাখবে কি না।

তোমার এই চিন্তা সঠিকও হতে পারে কিন্তু, এর মানে এই না যে সত্যিটা মেনে নিয়ে তোমাকে হাল ছেড়ে দিতে হবে। তার বদলে তুমি তোমার স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিজেকে যতভাবে প্রস্তুত করা যায় সেদিকে সময় বেশী দিলে আত্ম উন্নতির মাধ্যমে অনেক অনিশ্চয়তা মোকাবেলা করতে পারবে।

নিজের উৎসাহকে প্রাধান্য দিয়ে তালিকা করে নাও তোমার স্বপ্ন বাস্তবায়নে তোমাকে কিভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে এবং নিজেকে উপযুক্ত করে এগিয়ে যাও।

পরিশেষে আমার দিক থেকে আমি একটা কথাই বলবো, জীবনে আমাদের অস্তিত্ব অসীম সময়ের জন্য নয়। তাই নিজের উৎসাহকে গুরুত্ব কম দিয়ে এবং ভয়কে প্রাধান্য দিয়ে যদি তুমি এমন কোন একটা জীবন কাঁটিয়ে দাও যা আসলে তোমার জন্য নয়, তাহলে সেই আক্ষেপ থেকে পাওয়া কষ্ট থেকে তুমি কখনো মুক্তি পাবে না।

Please follow and like us:
error0
Tweet 20
fb-share-icon20

Continue Reading

Trending

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial