Connect with us

Inspirational

১০টি কাজ যা করলে নিজেই নিজেকে সম্মান করতে পারবেন

Published

on

নিজেকে সম্মান করা – খুব অদ্ভুত লাগে না শুনতে? আদর্শলিপিতে একটি কথা ছিল, ‘অপরকে সম্মান করিবে’। নিজেকে সম্মান করার কোনো বিষয় সেখানে ছিল না। অথচ আজকের দিনে দাঁড়িয়ে নিজেকে নিজের সম্মান করাটাই অনেক বড় একটা ব্যাপার। সবাই সেটা পারে না, অনেকে হয়তো জানেও না এ বিষয়ে। নিজের আত্মউন্নয়নের জন্য, নিজেকে জানার জন্য, নিজের ব্যক্তিসত্ত্বা গড়ে তোলার জন্য নিজেকে সম্মান করাটা খুব জরুরী। প্রত্যেক মানুষ আলাদা, প্রত্যেক মানুষের পরিবেশ পরিস্থিতি আলাদা, নিজেকে সম্মান করার কায়দাও আলাদা। তবু কিছু কিছু কাজ আছে যার মাধ্যমে আরো বেশি করে নিজেকে সম্মান করা যায়। এবার তাহলে সেই কাজগুলি সম্পর্কে একটু জেনে নেয়া যাক :

 

১. নিজের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপলব্ধি করুন

 

আমরা সবসময় জীবনের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিই। কেন ভুল হয়েছিল, দোষ কার ছিল, কি করলে ভুল এড়ানো গেলেও যেতে পারতো এমন ভাবনা আমরা প্রতিনিয়ত ভাবছি। অথচ জীবনের সাফল্যগুলো, ছোটো কিংবা বড় যেকোনো প্রাপ্তি থেকেও কিন্তু শিক্ষা নেওয়া যায়। একটা লিস্ট বানিয়ে ফেলুন, কোন কোন প্রাপ্তির জন্য আপনি নিজের উপর গর্ববোধ করেছিলেন। এতে করে যেমন নিজের যোগ্যতা, অর্জন, অবদান সম্পর্কে সচেতন হওয়া যায় তেমনি নিজের প্রাপ্তি, অপ্রাপ্তির ব্যাপারটাও মাথায় থাকে। এবং সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে তা পরবর্তীতে পুনরায় আপনাকে অনুরুপ ভালো করার উৎসাহ যোগায়।

 

এই বিষয়টা কিন্তু আত্বমুগ্ধতা নয় বরং আত্বউপলব্ধি, আত্বউন্নয়ন।

 

অতীতের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা অবশ্যই নিবো কিন্তু তাই বলে আফসোস কিংবা নিজের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত গুলোর জন্য নিজেকে আর ছোট করবো না, কারন শেষ কথা কিন্তু একটাই। আমরা সবাই মানুষ, তাই আমরা ভুল করবো এটাই স্বাভাবিক এবং অবশ্যই সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিবো। তাই অতীতের ভারে কুঁজো হওয়ার চেয়ে নিজেকে বর্তমান এবং ভবিষ্যতের জন্য উদ্বুদ্ধ রাখাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। আর সেটা তখনই সম্ভব যখন আমরা নিজেকে, নিজের কাজকে মূল্য দেওয়া, নিজের ছোটো ছোটো প্রাপ্তি গুলোকে উপলব্ধি করতে শিখবো।

 

২. নিয়মিত ডায়েরি লেখার অভ্যাস করুন

 

ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপের যুগে ডায়েরী লেখার অভ্যাস আস্তে আস্তে কমে আসছে। হাত বাড়ালেই বন্ধু, স্কুল, কলেজ, অফিস, আদালতের বন্ধু যদি নাও মেলে তবু সমস্যা নেই, ভার্চুয়াল বন্ধুর সাথে ভাগ করে নেই নিজের সুখদুঃখ। তার চেয়ে বরং ডায়েরি লিখুন, পাতায় পাতায় উঠে আসুক দিনের যত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, গুরুত্বহীন আলাপ। পাতা উল্টানোর সময় করে যদি উঠতে নাই পারেন, তাহলে বেছে নিন মোবাইলের নোটপ্যাড। এতে সময়ের সাথে সাথে আচরণ ও চিন্তাভাবনার পরিবর্তন জানতে পারবেন সহজেই। তবে বলা বাহুল্য, ডায়েরির মাধ্যমে আপনি যেভাবে নিজেকে ব্যক্ত করতে পারবেন, নোট প্যাড থেকে সেরুপ আশা করা ব্যর্থ।

 

KEEP A NOTEBOOK. Travel with it, eat with it, sleep with it. Slap into it every stray of thought that flutters up into your brain. Cheap paper is less perishable than gray matter, and lead pencil markings endure longer than memory.” – Jack London

 

নিজের অনুভূতিগুলোকে, চিন্তাধারাকে দিনশেষে যখন ডায়েরিতে তুলে ধরবেন, অবাক হয়ে উপলব্ধি করবেন যে আপনার নিজের কাছে আপনার একধরনের জবাবদিহিতা চলে আসছে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে আপনি আপনার নিজের সাথেই একধরনের স্বচ্ছতা তৈরি করে ফেলেছেন। যখন স্বচ্ছতা চলে আসে, নিজের প্রতি সম্মানটাও কিন্তু দৃঢ় হয়।

 

৩. অতীতের ভুলের জন্য নিজেকে মাফ করে দিন

 

অতীতকাল যত বড় কালই হ’ক নিজের সম্বন্ধে বর্তমান কালের একটা স্পর্ধা থাকা উচিত। মনে থাকা উচিত তার মধ্যে জয় করবার শক্তি আছে।  -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

 

পুরানো ভুলভ্রান্তি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় কোনটা ঠিক, কোনটা বেঠিক। অতীতের ভুল জন্ম দেয় অহেতুক কিছু অনুশোচনা, কিছু অনাবশ্যক অনুতাপ। যে অতীত আর কখনো ফিরে আসবে না, তার জন্য দু:খ করা বোকামি ছাড়া আর কিছুই না। আমরা বর্তমানে বাঁচি। অতীত থেকে শিক্ষা নেয়া যায়, অতীত আঁকড়ে আর যাই হোক বেঁচে থাকা যায় না। তাই পুরানো ভুলভ্রান্তির জন্য নিজেকে দোষ না দিয়ে বর্তমানকে নিয়ে বাঁচতে শিখুন। যা গেছে তা তো গেছেই, যা সামনে আছে তাই নিয়ে এগিয়ে যান। অতীতের সব আফসোসকে বিদায় দিয়ে নিজের বর্তমানকে যখন স্বীকার করে আপন করে নিবেন, নিজের অজান্তেই নিজের চোখে নিজের অবস্থানকে আর দৃঢ় পাবেন।

 

৪. নিজের শখের উপর গুরুত্ব দিন

 

শখ আহ্লাদ জীবনের অক্সিজেনের মতোন। নাগরিক জীবনের ক্লান্তি ঝেড়ে ফেলার জন্য এর চেয়ে ভাল উপায় আর হয় না। নিজের শখের পিছনে সময় দিলে তা আপনাকে টাকা পয়সা না দিক, মরুভূমির মাঝের মরুদ্যানের মত শান্তি দেবে, স্বস্তি দেবে। হতে পারে আপনি বই পড়তে ভালোবাসেন, হয়তো আপনার শখ দাবা খেলার কিংবা হয়তো আগ্রহ আছে গানবাজনায়।

 

যেটাই হোক, দিনের ব্যস্ত শিডিউলের ফাঁকেও চেষ্টা করুন অল্প একটু সময় খুঁজে নিতে। শখ আপনার ব্যক্তিত্ব বহন করে, আপনার নিজস্বতা তুলে ধরতে সাহায্য করে, সকলের কাছে নিজের দৃঢ় পরিচিতি তুলে ধরার মাধ্যম এটি।

 

৫. জীবনের সকল চ্যালেঞ্জ হাসিমুখে গ্রহণ করুন

 

চ্যালেঞ্জ শব্দটা আমাদের জীবনে সবচেয়ে বেশিবার শোনা শব্দগুলোর মধ্যে একটা, সবচেয়ে বেশিবার মুখোমুখি হওয়া ঘটনাগুলোর মধ্যেও একটা। যাই হোক, যে চ্যালেঞ্জই আসুক তার মোকাবেলা হাসিমুখে করুন। আপনি পারবেন কি না, এর ফলাফল কি হবে সেটা নাহয় পরে ভাবা যাবে। নিজেকে সম্মান করার জন্য নিজের উপর বিশ্বাস থাকা জরুরি। আর নিজের উপর বিশ্বাস থাকলে যেকোনো সমস্যা হাসিমুখে গ্রহণ করা যায়। সমস্যাকে ভয় পেয়ে দূরে সরে গেলে সমস্যা সমাধান হবে না, সমস্যা বাড়বে। যেকোনো অসম্ভবকে আপন করে নিন, দেখাই যাক না কি হয় !

 

 

৬. প্রতিদিন কাজের বাইরেও নতুন কিছু শিখুন

 

রোজকার রুটিনে কিছুটা সময় বরাদ্দ রাখুন নতুন কিছু করার জন্য, নতুন কিছু শেখার জন্য। নতুন কিছু জানার আগ্রহটা ধরে রাখুন। জীবনের একঘেয়েমি দূর করার জন্য প্রতিদিন নতুন কিছু শেখার চর্চা বজায় রাখুন। নতুন কিছু জানার আনন্দ জীবনে নতুন উৎসাহ সৃষ্টি করে। তাই শুধু পহেলা বৈশাখে নয়, নতুন কিছু করার, নতুনকে বরণ করে নেয়ার প্রচেষ্টা থাকুক সারা বছর জুড়ে।

 

৭. লক্ষ্যকে সুনির্দিষ্ট করুন

 

নিজের লক্ষ্য নিজেই নির্ধারণ করুন। লক্ষ্যহীন জীবন কারো কোনো কাজে আসে না। না নিজের, না সমাজের। আর আপনি নিজেকে যতটা ভাল চেনেন, অন্য কেউ ততোটা চেনে না। তাই এই সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার ও দায়িত্ব একমাত্র আপনারই আছে। মা, বাবা, ভাই, বোন এরা আমাদের আত্মার আত্মীয়। তারা সবসময় আমাদের ভাল চান, আমাদের জন্য তাদের সিদ্ধান্ত অনেকটাই সঠিক। তারপরো, আপনি জীবনে কি হতে চান, কোথায় পৌছুতে চান, কোন রাস্তায় এগোতে চান এই সিদ্ধান্তটা আপনার নিজেরই নেয়া উচিত।

 

৮. পজিটিভ চিন্তা করুন

 

প্রতিদিন নিজের ব্যাপারে পজিটিভ চিন্তা করুন। সব কাজে, সবরকম চিন্তাভাবনায় পজিটিভিটি নিয়ে আসুন। নিজের উপর বিশ্বাস হারাবেন না, ‘আমি পারবই, আমাকে পারতেই হবে’ এই মূলমন্ত্র নিয়ে এগিয়ে যান। কারো সম্পর্কে অথবা কোনো বিষয় নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুন। পজিটিভ চিন্তাভাবনা আপনাকে বিভ্রান্ত হতে দেবে না, মানসিকভাবেও এগিয়ে নিয়ে যাবে বহুগুণ, বাড়িয়ে দেবে কাজকর্মের গতি।

 

A positive attitude causes a chain reaction of positive thoughts, events and outcomes. It is a catalyst and it sparks extraordinary results. -Wade Boggs

 

৯. অগোছালো এবং অনিয়মিত জীবনাচরণ বিরত থাকুন

 

আপনার কাজ, আপনার দৈনন্দিন কর্মের ব্যবস্থাপনা আপনি যতটা রুটিনের মধ্যে নিয়ে আসতে পারবেন, আপনার কাজ, দৈনন্দিন জীবন তততাই গোছালো হবে। নিজের প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গিটাও বদলে যাবে। নিজেকে সম্মান করাটাও তখন কঠিন কিংবা অযাচিত বলেও কিন্তু মনে হবে না।

 

১০. নিজের জীবনের গল্প এমনভাবে তৈরি করুন যা অন্যকে অনুপ্রেরণা যোগায়

 

আপনার ভবিষ্যৎ আপনার হাতে। ভাগ্যের হাতে সবকিছু ছেড়ে দেয়ার সময় শেষ। পাশের বাসার ছেলেটার সাথে নিজের তুলনা দেয়া এবার বন্ধ করুন। এমনভাবে কাজ করুন যেন সবাই আপনাকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়। অন্যের গল্প শুনে শুনে অনুপ্রাণিত হওয়ার বদলে নিজের জীবনের গল্প দিয়ে সবাইকে অনুপ্রাণিত করুন। কাউকে আদর্শ মেনে কাজ করা ভাল, কিন্তু আদর্শকে ছাড়িয়ে যাওয়ার লক্ষ্য থাকা আরো ভাল। নিজের ভাল ভাল কাজের সম্পর্কে অন্যদের জানান; নিজের দাম বাড়ানোর জন্য না, আপনার অভিজ্ঞতা জেনে তারাও যেন ভাল কাজে উদ্বুদ্ধ হয় তার জন্য।

 

নিজেকে সম্মান দেয়ার অর্থ হামবড়া ভাব ধরে ঘুরে বেড়ানো নয়। নিজের সম্বন্ধে বড় বড় কথা বলে নিজেকে জাহির করাও নয়। নিজেকে ভালোবাসা, নিজের ইচ্ছা অনিচ্ছাগুলোকে গুরুত্ব দেয়া, নিজেকে সঠিকভাবে সবার কাছে তুলে ধরা – ব্যস, এইটুকুই।

Please follow and like us:
error0
Tweet 20
fb-share-icon20

Inspirational

মাস্টার মাইন্ডের রহস্য

Published

on

“মাস্টার মাইন্ড” আপনি হয়তো নামটা প্রথম বারের মতো শুনেছেন। প্রথম শুনাটাই স্বাভাবিক। কেননা আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থায় কোথাও এ নিয়ে কোনো আলোচনা করা হয়নি। তাই আজকে আমরা আলোচনা করবো সাফল্য অর্জনের মৌলিক পথ মাস্টার মাইন্ড নিয়ে।

প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক মাস্টার মাইন্ড কিঃ

দুই বা ততোধিক মানুষ যখন কোনো একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য একসাথে সম্মিলিত ভাবে প্রচেষ্টা চালায়। তখন তাকে মাস্টার মাইন্ড গ্রুপ বলে। মাস্টার মাইন্ড গ্রুপ সর্ব প্রথম  নেপোলিয়ন হিল এবং এন্ড্রু কার্নেগি আবিষ্কার করেন। ১৯২৫ সালে হিল তার “দ্যা লো অব সাকসেস ” বইয়ে এ নিয়ে আলোচনা করেন। এন্ড্রু কার্নেগী ২৫ জন সদস্য নিয়ে তার মাস্টার মাইন্ড গ্রুপ গঠন করেছিলেন এবং স্টিলের ব্যাবসার মধ্য দিয়ে তারা প্রত্যেকেই বিত্তবান হয়েছিলেন। তাছাড়া অতিথের অনেক সফল ব্যাক্তিরাই মাস্টার মাইন্ড গ্রুপ ব্যবহার করে নিজেদের উদ্দেশ্য সাধন করেছেন।

তাদের মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হলেনঃ

বিখ্যাত ফোর্ড মোটর কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা – হেনরি ফোর্ড।

পৃথিবীকে আলোকিত করা বিজ্ঞানী – থমাস আলভা এডিসন।

মোবাইল ফোন আবিস্কারক – আলেকজেন্ডার গ্রাহামবেল। 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৬তম প্রেসিডেন্ট – থিওডোর রুজভেল্ট। 

বিখ্যাত প্রকৌশলি – চার্লস এম শওয়াব।

মার্কিন উদ্যোক্তা – জন ডি রকফেলার। সহ আরো অনেকের সাফল্যের পিছনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে মাস্টার মাইন্ড।

এছাড়াও পড়তে পারেনঃ সফলতার শীর্ষে পৌছাতে কেন একজন পথ প্রদর্শকের প্রয়োজন?

কেন মাস্টার মাইন্ড গ্রুপ করবেনঃ

একটা মাস্টার মাইন্ড গ্রুপে একেক জন ব্যাক্তি ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ে দক্ষ হয়ে থাকেন। যার ফলে যে কোনো উদ্দেশ্য দ্রুত সাধন করা যায়।

এ নিয়ে ওয়ালেস ডি ওয়াটলেন তার বেস্টসেলার বই “দ্যা সায়েন্স অব গেটিং রিচ” বইয়ে খুব সুন্দর একটি উদাহরণ দিয়েছেন। উদাহরণটা ছিল এরকম – মনে করা যাক, একটা মাসিক পত্রিকার কথা। একটা মাসিক পত্রিকা বের করতে প্রয়োজন হয় একদল মানুষের। এই মানুষ গুলোর থাকবে নানা গুন। একজন সম্পাদনা করবেন, কেউ কম্পোজের কাজ করবেন, কেউ লেখা জোগাড় করবেন, কেউ লিখবেন, কেউ প্রুফ দেখবেন, কেউ বিজ্ঞাপন জোগাড় করবেন, কেউ ছাপাবেন, কেউ বাধাইয়ের কাজ করবেন, কেউ বা পত্রিকাটি বাজারজাত করবেন। তবেই একটা পত্রিকা পরিপূর্ণভাবে বের করা সম্ভব হবে।উপরের কাজ গুলো কোনো একজন মানুষের একার পক্ষে করা সম্ভব নয়। এখানে ১০ জন মানুষ ১০টি ভিন্ন কাজে দক্ষ। এভাবে যদি কোনো একটা নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে একদল মানুষ নিজেদের জ্ঞান ও দক্ষতা কে কাজে লাগায় তাহলে যে কোনো অসাধ্য সাধন করতে পারবে।

কিভাবে মাস্টার মাইন্ড তৈরি করবেনঃ

একটা মাস্টার মাইন্ড গ্রুপে যে কোনো একজন মানুষকে নেতৃত্ব দিতে হবে। এবং সবার সাথে সমান ব্যবহার করতে হবে। তা না হলে এ গ্রুপে ফাটল ধরতে পারে। মাস্টার মাইন্ড তৈরি করার পূর্বে যে ৫ টি বিষয়ের উপর সচেতনতা অবলম্বন করতে হবে। তা হলোঃ

১। প্রথমেই আপনার পরিচত একদল মানুষের নামের লিস্ট করে নিন। যাদের আপনি আপনার গ্রুপে রাখতে চান।

২। তারপর লিস্ট করা প্রত্যেকটা ব্যাক্তিকে নিয়ে গভীর ভাবে অনুধাবন করুন। এ ক্ষেত্রে নিজেকে কিছু প্রশ্ন করতে পারেন। আমার লিস্ট করা প্রত্যেকটা ব্যাক্তি কি যথেষ্ট পরিশ্রমী? তারা কি যে কোনো কঠিন পরিস্থিতিতে ইতিবাচক থাকবে? তাদের উপর কি বিশ্বাস করা যায়? কোন কোন কাজে তাদের বিশেষ দক্ষতা আছে?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, তবেই তাদের আপনার মাস্টার মাইন্ড গ্রুপে যুক্ত করতে পারেন।

৩। আপনাদের গ্রুপের উদ্দেশ্য কি? গন্তব্য কোথায়? এ প্রশ্ন গুলোর উত্তর পরিষ্কার করে নিন।

৪। যে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করার পূর্বে তাদের সাথে আলোচনা করে নিন এবং দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক মিটিংয়ের ব্যাবস্থা করতে পারেন।

৫। মাস্টারমাইন্ড গ্রুপ করার পর যদি কেউ নিজের কাজ নিয়ে উদাসীন থাকে, তাহলে তাকে গ্রুপ থেকে ছাটাই করে ফেলুন।

মাস্টার মাইন্ড ব্যবহার করে একজন মানুষ একাধিক মানুষের সাহায্য নিয়ে নিজের উদ্দেশ্য হাসিল করতে পারেন এবং এর ফল সবাই মিলে ভোগ করবেন।

Please follow and like us:
error0
Tweet 20
fb-share-icon20

Continue Reading

Inspirational

বিখ্যাত স্টার্টআপ কীভাবে শুরু হয়েছিল এই সম্পর্কে গল্পগুলি প্রমাণ করে যে কিছুই অসম্ভব নয়

Published

on

সবাই জীবনে সফলতা অর্জন করতে চায়, তা সে যেই অবস্থায় থাকুক না কেন। আমরা সবাই জীবনে এমন কিছু যোগ করতে চাই যা আমাদের জীবনকে সুন্দর করবে। সফল মানুষদের গল্পগুলো থেকে কিভাবে নিজের স্বপ্ন বাস্তবে রূপান্তর করতে হয় আমরা সেই শিক্ষাই পাই এবং বর্তমান সময়ে সারা বিশ্বজুড়ে স্টার্টআপগুলোর মাধ্যমে নিজের স্বপ্নগুলো সফল করার পথ বেছে নিচ্ছে অনেক উদ্যমী তরুণ।

এই আর্টিকেলে আমি জানাবো বিখ্যাত কিছু স্টার্টআপ কীভাবে শুরু হয়েছিলো। আশা করি এটি আপনাকে অনুপ্রাণিত করবে যা আপনার নিজের স্বপ্নের রাস্তায় এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

এছাড়াও পড়তে পারেনঃ সফল হতে এড়াতে হবে যে বিষয়গুলো

Instagram

Kevin Systrom – Founder of Instagram

Kevin Systrom নামে একজন ব্যাক্তি প্রোগ্রামিং কোড শিখতে চাইছিলো, সে সিদ্ধান্ত নিল তার কাজের সময়ের পর নিজে নিজে শিখবে এবং সেই ইচ্ছা থেকেই সে কিছু মোবাইল অ্যাপ নিয়ে কাজ করা শুরু করলো। ফলাফল, সে Instagram নামে একটা ফটো অ্যাপ স্টোরে আপলোড করে সোমবার, যা কিনা ঠিক পরেরদিন মঙ্গলবারেই অ্যাপ স্টোরে জনপ্রিয় হয়ে যায়।

Uber

Uber suspends hundreds of accounts after rider diagnosed with ...
Source

একজন স্কুল ড্রপ আউট তার একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা শুরু করে। কিন্তু অবৈধ লাভ গ্রহনের কারণে তাকে বেশ বড় অংকের জরিমানা দিতে হয়েছিলো। এর পরও তার নতুন কিছু করে দেখানোর স্বপ্ন এবং সাহস শেষ হয়ে যায়নি। ২০১০ সালে সে Uber নামে নতুন প্রকল্প শুরু করে যার জন্য সে অর্থায়ন পায় এবং বর্তমানে এর মূল্য প্রায় ১৭ বিলিয়ন ডলার।

Alibaba

Alibaba founder Jack Ma steps down as chairman - MarketWatch
Source

Jack Ma নামে একজন ব্যাক্তি যে কিনা তার কর্ম জীবনে প্রায় সবরকম চেষ্টা বিফলে গিয়েছিলো, ইংলিশ জানতোনা বলে তার অনেক কষ্ট করতে হয়েছিলো, এমনকি বলার মত তার এমন কোন বড় যোগ্যতাও ছিল না। কিন্তু এসবকিছুর পরও তার নিজস্ব চিন্তা থেকে তৈরি করা প্রতিষ্ঠান যার নাম “আলিবাবা”, ব্যাবসাক্ষেত্রে পৃথিবীকে এক নতুন ধারনা দেয়।

LinkedIn

How to view profiles anonymously on linkedin ? – Tech101
Source

একজন ব্যাক্তি সামাজিক মাধ্যমের এমন একটি ধারনা থেকে কাজ শুরু করে যা কিনা শুধুমাত্র প্রফেশনাল কাজে লাগবে এমন মানুষদের সাথে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হবে। শুরুতে সে তার পরিচিত ৩৫০ জন বন্ধুদের তার এই ওয়েবসাইটে জয়েন করায়। ২০০৩ সালে যখন সে আনুষ্ঠানিকভাবে LinkedIn শুরু করে তখন সকলেই তার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানায় এবং বর্তমানে তার এই সম্পদের মূল্য ১ বিলিয়ন ডলারের বেশী।

Pinterest

Pinterest Reaches 60% of US Women; Here's What They're Searching ...
Source

একজন ব্যাক্তি চাকরী ছেড়ে দিয়ে তার আরও দুইজন বন্ধুর সাথে কাজ করা শুরু করে। তারা বেশ কিছু মোবাইল অ্যাপ বানায় যার যার কোনটাই কোন জনপ্রিয়তা পায়নি। কিন্তু তারা নতুন কিছু চিন্তা করা থামিয়ে দেয়নি। তারা নতুন কিছু করার চিন্তা এবং গবেষণা বাড়িয়ে দেয় এবং পরবর্তীতে ২০১০ সালে Pinterest তৈরি করে যা বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ২৫ মিলিয়নেরও বেশী মানুষ ব্যবহার করে।

Airbnb

Airbnb policy lapse allows for human trafficking and modern slavery
Source

দুইজন বন্ধু তাদের বাসা ভাড়া দিতে পারছিল না তাই তারা তাদের বাসায় অন্য মানুষদের থাকতে দিত যারা অল্প সময়ের জন্য বিভিন্ন কাজে আসতো এবং তাদের কাছ থেকে ভাড়া নিত। এতে যারা থাকতো তাদের হোটেলের মত এতো খরচ হতো না এবং দুইবন্ধু সময়মত তাদের বাসা ভাড়া দিতে পারতো।

তাদের এই আইডিয়া দ্রুত চারপাশে ছড়িয়ে পরে এবং তারা ১১২ মিলিয়ন ডলার অনুদান পায় এই আইডিয়া এর উপর আরও বড় পরিসরে কাজ করার জন্য।

Angry Birds

Angry Birds (game) | Angry Birds Wiki | Fandom
Source

৩ জন ব্যাক্তি ৫১টি মোবাইল অ্যাপ তৈরি করে যার জন্য তারা কোন সফলতাই পায়নি এবং তারা প্রায় হাল ছেড়ে দিচ্ছিল যে তাদের দিয়ে কিছুই হবে না। তাদের ৫২ তম অ্যাপটি ছিল Angry Birds নামে একটি গেম যা ইতিহাস তৈরি করলো এবং তাদের জীবন পরিবর্তন করে দিল।

এই স্টার্টআপ গুলোর বিস্তারিত ঘটনা আপনারা অনলাইন থেকে জেনে নিতে পারবেন কিন্তু ছোট এই আলোচনার মূল উদ্দেশ্য হলো, আমরা কেউই আমাদের ভবিষ্যতে ঠিক কি হতে যাচ্ছে তা ঠিক করে বলতে পারি না এবং ঠিক কোন মুহূর্তে আমাদের জীবনে ভালো পরিবর্তন আসবে সেটা ধারনা করতে পারবো না। কিন্তু যা করতে পারবো সেটা হলো হাল না মেনে এগিয়ে যাওয়া এবং নিজের যোগ্যতা আরও বাড়ানো। এই মানসিকতাই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে এবং সফল হতে সাহায্য করবে।

Please follow and like us:
error0
Tweet 20
fb-share-icon20

Continue Reading

Inspirational

৬ টি বিস্ময়কর জিনিস ঘটে যখন তুমি নিজের উৎসাহ অনুযায়ী কাজ করো

Published

on

তুমি কি একবার চিন্তা করেছো, তোমার প্রতিটি দিন যদি সেই কাজগুলো করে কাটতো যেগুলোতে তোমার সবচেয়ে বেশী উৎসাহ, তাহলে কত রোমাঞ্চক হতো জীবনটা? তোমার মানসিক উত্তেজনা ঠিক সেই সময়ের মত হতো যখন তুমি জীবনের লক্ষ্য ঠিক করতে গিয়ে চিন্তা করতে গিয়ে মনের শ্রেষ্ঠ ইচ্ছার কথা ভাবতে।

কিন্তু এইরকমটা হয়না, কারণ আমরা বাস্তবতার মাঝে আমাদের উৎসাহগুলো পেছনে ফেলে আসি। কিন্তু এই “বাস্তবতা” বিষয়টা আসলে কি? এবং কেনই না বাস্তবতার কারণে আমাদের স্বপ্ন এবং মনের ইচ্ছাগুলোকে ভুলে যেতে হয়?

একটা জবাব প্রায়ই আসে যে সমাজ আমাদের স্বপ্নগুলো নিয়ে আমাদের বেশিদূর আগাতে সাহায্য করে না। তাই আজকে তোমাকে জানাই, সমাজ যখন তোমার স্বপ্ন আর তোমার উৎসাহকে ভুল সিদ্ধান্ত বলে বিভ্রান্ত করবে, ১০টি বিস্ময়কর জিনিস তোমার মধ্যে ঘটবে যখন তুমি তোমার উৎসাহ অনুযায়ী জীবন ঠিক করবে।

১. আত্মবিশ্বাস বাড়ে

সবাই জানে যে মানুষ তার নিজের পছন্দের কাজের মাধ্যমে সকলের কাছে পরিচিত হতে পছন্দ করে। কিন্তু এটাও সত্যি যে মানুষ নিজের পছন্দের কথা সকলের কাছে প্রকাশ করতে পারে না। যখন তুমি অন্যের অভিমতগুলো উপেক্ষা করে নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকতে পারবে, তোমার নিজের আগ্রহের কথা প্রকাশ করতে কোন দ্বিধা বোধ করবে না।

প্রায় সময়েই তুমি যখন অন্যের অভিমতগুলো উপেক্ষা করতে পারো না, তোমাকে এমন একটা জীবন গ্রহণ করতে হয় যা অন্যের কাছে গ্রহণযোগ্য। তোমার নিজের উপর বিশ্বাস ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে এবং ধীরে ধীরে তুমি সমাজ, বন্ধু-বান্ধব এবং পরিবারের কথামত চলতে শুরু করো। এটা হয় কারণ তুমি যা করছ তাতে তোমার খুবই কম নিয়ন্ত্রন থাকে। খুব সহজের এই কাজগুলো তোমার কাছে বোঝা বলে মনে হয় এবং ভয়ংকর ব্যাপার হচ্ছে আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়ার কারণে সমাজে টিকে থাকার ভয় সবসময় তোমার মধ্যে তাড়া করতে থাকে।

কারণটা খুব সহজ, তুমি যখন এমন কাজ করে জীবন পাড় করছ যা তোমাকে মানসিক শান্তি দিচ্ছেনা, সেই কাজে তুমি কখনোই তোমার সর্বোচ্চ দিতে পারবে না। ফলাফল, সাধারন এবং ভীত একটা জীবন তোমাকে সারাক্ষণ পীড়া দিতে থাকবে।

২. মানসিক অশান্তি কমে যাবে

চাকরী জীবনের অশান্তি হচ্ছে প্রাপ্ত বয়স্কদের হার্ট অ্যাটাক, উচ্চ রক্তচাপ এবং অন্যান্য রোগের মূল উৎস।

প্রথমেই মানসিক অশান্তির ব্যাপারটা তোমাদের কাছে একটু পরিষ্কার করি। ব্যাপারটা এমন নয় যে তোমার মনের ইচ্ছা মত কাজ করলে মানসিক অশান্তি হবে না। কিন্তু, নিজের ইচ্ছা থেকে যে কাজ তুমি করো, সে কাজে কোন চ্যালেঞ্জ আসলে সেটা মোকাবেলা করার একটা ইচ্ছাও তোমার মধ্যে জন্ম নেয় এবং সেটাই সফলতার জন্য সবচেয়ে বেশী কার্যকর।

আর যারা নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী কাজ করেনা তাদের কাছে প্রত্যেকটা কাজই বিরক্তিকর মনে হয় এবং কাজ করার দিকে মনোযোগ না দিয়ে কাজ শেষ হবার সময়ের দিকে বেশী নজর দেয়। চিন্তা করে দেখো, এরকম মানসিক অশান্তি আর আক্ষেপ নিয়ে প্রতিটা দিন পাড় করা কতটা যন্ত্রনাদায়ক।

৩. কাজের পরিপূর্ণতা

“বাঁচার জন্য কাজ করা” – এর থেকে ভয়ংকর বাস্তবতা আর হতে পারে না। তোমার নিজেকে সারাক্ষণ বন্দি মনে হবে কারণ, তোমার কাজ পাওয়া অর্থ থেকেই তোমার বাড়ি ভাড়া, খাওয়া দাওয়া থেকে সবকিছু নির্ভরশীল। তাই কাজ যতই অপছন্দের হোক না কেন, আমাদের নিজেকে সেই কাজের মধ্যেই রাখতে হয় আর যা করতে উৎসাহ ছিল সেটা জীবন থেকেই দূরে সরিয়ে দিতে হয়। এটা বাস্তবতা মেনেই সারাটা জীবন পাড় করে ফেলছি তাই না? কিন্তু একবারও কি এভাবে চিন্তা করে দেখেছো, তোমার এই কাজের কোন পরিপূর্ণতাই পাচ্ছে না শুধুমাত্র তুমি তোমার কাজটি উপভোগ করতে পারছ না তাই।

যারা নিজের উৎসাহ অনুযায়ী কাজ করে তাদের দিকে লক্ষ্য করে দেখো, কাজ থেকে প্রাপ্তি কি হচ্ছে সেটা তাদের মূল মনোযোগের বিষয় নয় বরং সেটা আরও কিভাবে ভালো করা যায় সেটা নিয়ে তারা চিন্তা করতে থাকে। কাজের এই পরিপূর্ণতাই সময়ের সাথে এর সঠিক মূল্যায়ন করে।

৪. কর্ম জীবনে ভারসাম্য আনার দক্ষতা

বলা হয়, যদি তুমি তোমার উৎসাহ অনুযায়ী কাজ করো, তাহলে তোমার আর কর্ম জীবনের ভারসাম্য নিয়ে কোন সমস্যা হবে না। তার মানে হলো কর্ম জীবনের ভারসাম্যহীনতা নিয়ে সমস্যা তখনই আসে, যখন আপনার কাজের সময়টা আপনাকে মানসিকভাবে তৃপ্তি দেয় না।

যখন তুমি তোমার উৎসাহ অনুযায়ী কাজ করবে, তখন তোমার মনেই হবে না তোমার কাজের সময় তোমার জীবন থেকে আলাদা। আর এই মানসিকতাই তোমাকে শান্ত আর সুখী রাখবে।

৫. জীবন নিয়ে আক্ষেপ কম হবে

দিন শেষে, মানুষ সেই সকল কাজ নিয়ে আক্ষেপ করে না যা তারা করেছে, বরং সেই কাজগুলো নিয়ে আক্ষেপ করে যা তারা করতে পারেনি।

ভেবে দেখো, তুমি কাজের মাধ্যমে তোমার স্বপ্ন আর উৎসাহের পেছনে ছুটে বেড়াচ্ছো। এবার ভেবে দেখো, তুমি অন্য কারো কাছে কি কি কারণে তোমার স্বপ্ন আর উৎসাহগুলো থেকে সরে আসতে হয়েছে এই নিয়ে আক্ষেপ করছো। যা বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষের সাথেই হয়ে থাকে। সমাধান এখন তোমার কাছে। জীবন একটাই আর এই জীবন নিয়ে আক্ষেপ করে বেঁচে থাকাটা কোন সমাধান হতে পারে না।

৬. আত্ম উন্নতি ঘটবে

নিজের উৎসাহ এবং স্বপ্নের পেছনে না ছোটার মূল কারণ হলো অনিশ্চয়তা। অনেক সময়ই আমরা নিশ্চিত হতে পারি না যে নতুন কিছু করে দেখানোর স্বপ্নটা বাস্তবায়নের জন্য আমি উপযুক্ত কি না অথবা আমার এই স্বপ্ন অর্থনৈতিকভাবে আমাকে স্বাবলম্বী রাখবে কি না।

তোমার এই চিন্তা সঠিকও হতে পারে কিন্তু, এর মানে এই না যে সত্যিটা মেনে নিয়ে তোমাকে হাল ছেড়ে দিতে হবে। তার বদলে তুমি তোমার স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিজেকে যতভাবে প্রস্তুত করা যায় সেদিকে সময় বেশী দিলে আত্ম উন্নতির মাধ্যমে অনেক অনিশ্চয়তা মোকাবেলা করতে পারবে।

নিজের উৎসাহকে প্রাধান্য দিয়ে তালিকা করে নাও তোমার স্বপ্ন বাস্তবায়নে তোমাকে কিভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে এবং নিজেকে উপযুক্ত করে এগিয়ে যাও।

পরিশেষে আমার দিক থেকে আমি একটা কথাই বলবো, জীবনে আমাদের অস্তিত্ব অসীম সময়ের জন্য নয়। তাই নিজের উৎসাহকে গুরুত্ব কম দিয়ে এবং ভয়কে প্রাধান্য দিয়ে যদি তুমি এমন কোন একটা জীবন কাঁটিয়ে দাও যা আসলে তোমার জন্য নয়, তাহলে সেই আক্ষেপ থেকে পাওয়া কষ্ট থেকে তুমি কখনো মুক্তি পাবে না।

Please follow and like us:
error0
Tweet 20
fb-share-icon20

Continue Reading

Trending

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial