১০ টি বিষয়ঃ যা নিয়ে তুমি ব্যস্ত, কিন্তু দিন শেষে এর কোন মূল্যই থাকে না

আচ্ছা প্রতিনিয়ত তুমি কত কিছু নিয়ে দুঃচিন্তা করো অথবা কি কি নিয়ে ভাব বলতে পারো?? আর এসব চিন্তার কতটুকু অংশ তোমার কতটা কাজে আসে??

সত্যি বলতে প্রতিদিন কত কিছু ভেবে যে আমরা সময় নষ্ট করি তার বেশিরভাগই আমরা কাজে লাগাতে পারি না। কেননা, সেগুলো হয়তোবা বেশিরভাগই অপ্রয়োজনীয়। প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে তো আমরা সব সময়ই ভাবি। কিন্তু অপ্রয়োজনীয় বিষয় যা আমরা ভেবে অনেক সময় নষ্ট করি, সেসব কি আসলে কখনো আলাদা করা হয়েছে? আসলে না। আর এজন্যেই আমরা আমাদের সময়ের সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারছি না। তাহলে চলো আর আমরা সেই বিষয়গুলো জেনে নেই-

 

কি দরকার তাদের কথা ভেবে সময় নষ্ট করার যারা তোমাকেই সম্মান করে না?

 

প্রতিদিনই আমরা নিত্য নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হই। কর্মক্ষেত্র বা অন্য যে কোন কারণেই আমদের হতে হয়। কিন্তু এদের মধ্যে সবার সাথে তোমার সম্পর্ক অনেক ভাল হবে এটা ভাবা আসলে বোকামি ছাড়া কিছুই না। 

 

সবাই তোমার দৃষ্টিভঙ্গি বুঝবে না, তোমার পরিস্থিতি বুঝবে না, তোমাকে বুঝবে না। এক্ষেত্রে তুমি কি করতে পারো?? কিভাবে তাদের সম্পর্ক ভাল করা যায় বা কিভাবে তাদের কাছে ভাল হওয়া যায় এসব ভেবে সময় নষ্ট করবে? কখনই না। সময় বড়ই মূল্যবান। আর তোমার করার অনেক কিছু আছে। তাহলে তুমি কেনই বা তাদের কথা চিন্তা করে তোমার সময় নষ্ট করবে?

 

বিষয়ে ডিয়ানফ্রানকো ডিএভারসা বলেছেন

” Don’t waste your time on somebody who does not value them “

 

যেখানে তারা তোমার দৃষ্টিভঙ্গি বুঝছে না সেখানে তারা তোমাকে সম্মান করবে না। এমনকি তাদের মানসিকতা তোমার চেয়ে নিম্নতর হতে পারে। এজন্য তাদের নিয়ে না ভেবে বরং তুমি যদি ভাল মানসিকতার কাছে তোমার পরিকল্পনা, ইচ্ছা এসব নিয়ে আলোচনা করো তাহলেও ববং তোমার এতে লাভ বেশি। আর আসা এসব মানুষদের নিয়ে ভাবতে থাকলে তারা তোমাদের পথের বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

 

 

. অন্যের সাথে তুলনা করে কি পেয়েছ তুমি?

 

আজকাল আমাদের মধ্যে একটা বিষয় অনেক বেশি কাজ করে। আর তা হলতুলনা কি নিয়ে করি আমরা এত তুলনা? নিজে কতটুকু কাজ করেছি বা পরিশ্রম দিয়েছি তা ভাবার আগেই আমরা নিজেদের সাথে অন্যের তুলনা শুরু করে দেই। কিন্তু আসলে কি এতে কোন লাভ হয় আমাদের? নাকি শুধুই নিজেরাই কষ্ট পাই এবং অনেক সময় নিজেদের অক্ষম বা ব্যর্থ ভাবতে শুরু করি। এভাবে নিজেদের ভালমত না জেনে অন্যের সাথে নিজের তুলনা করে নিজেরই সার্মথকে কমানো আসলে বোকামি। এর চেয়ে আমরা অন্যদের সাথে নিজেদের তুলনা না করে তাদের কাজ থেকে নতুন কিছু শিখতে পারি, নিজের ভুলটা খুঁজে নিতে পারি। অকারণ তুলনা আমাদের উৎসাহ কমানো ছাড়া আসলে কোন কাজে আসে না।

 

Personality begins where comparison leaves off.

Be unique
Be memorable
Be confident
Be proud.

 —- SHANNON L.ALDER

 

. অবাস্তব প্রত্যাশার অপেক্ষা

 

মানুষ স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসে এবং সে প্রতিনিয়তই দেখে। অনেকে ভাবে স্বপ্ন দেখতে দোষ কি?

 

হ্যা, অবশ্যই এতে দোষ নেই। কিন্তু সেই স্বপ্ন যদি হয় তোমার সাধ্যের বাহিরে অথবা অবাস্তব, তাহলে কিনা সেই স্বপ্ন পূরণের অপেক্ষা তোমার সময়ের অপচয় ছাড়া কিছুই না। কারণ সেই স্বপ্নই আসল স্বপ্ন যা পূরণ করার যোগ্যতা, ক্ষমতা তোমার রয়েছে। বাস্তব দুনিয়ায় তা বাস্তবায়িত করার সুযোগ রয়েছে। 

 

এমন কিছু ছাড়া অবাস্তব কিছুর আশায় বসে থাকলে সেই অপেক্ষা কখনই শেষ হবার নয়। আর সেই অপেক্ষা থেকে তোমার প্রাপ্তি শূন্য।

 

 

অতএব, এই কাজে সময় নষ্ট না করে তুমি তোমার কল্পনার বাস্তব অংশ টুকুই কিভাবে প্রতিফলিত করা যায় তার চিন্তাভাবনা করো। আর শুধু চিন্তাই নয় মাঠে নেমে পরে কাজ করতে করতে আগাতে আগাতে ভাব। কারণ অপেক্ষা দাঁড়ায় অনেকটা এভাবে, Sometimes life is about risking everything for a dream that no one can see but you do. আর এতটা ঝুঁকি নেওয়ার মাসুলটা শোধ করার সুযোগ জীবন আমাদের দিবে না।

 

. নিজের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ অন্যের অধীনে রাখা:

 

অনেকেই আমরা সব সিদ্ধান্ত বা কাজ আত্নবিশ্বাসের সাথে নিতে পারি না। ভয় পাই। দ্বিধায় থাকি। এমনকি অনেক সময় দেখা যায় যে আমরা নিজের জীবনের গুরুত্ত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতেও আমরা অন্যদের ওপর নির্ভরশীল থাকি। এটিই হল একজন মানুষের দূর্বলতার সবচেয়ে বড় পরিচয়।

 

জীবনের জন্যে তোমার কি ঠিক, আর কি ঠিক না তা তোমার চেয়ে ভাল আর কেউ জানতে পারে না। তাহলে তোমার জীবনের গুরুত্ত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত কি অন্য কারো নেওয়া উচিত?

 

কারণ, তুমি জানো তোমার পারদর্শিতা কিসে। তুমি তোমার জীবনকে যেভাবে দেখতে চাও অন্য কেউ সেভাবে নাও দেখতে পারে।

 

 

এজন্যই এখন থেকেই আমাদের নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজেদের নেওয়ার অভ্যাস করা উচিত। যদি নিজের ভবিষ্যৎ এর দায়িত্ব অন্যের ওপর ছেড়ে দেই তাহলে নিজেদের প্রতিভাটা কিসে আমরা সেটাই কখনো বের করতে পারব না। বাবা মা যদি বলে ফেলেন ডাক্তারি, তাহলে তোমাকে হয়তোবা ডাক্তারিই পড়তে হতে পারে। কিন্তু তোমার পারদর্শিতা ডাক্তারিতে না থাকে তখন তোমার জীবন কেমন হতে পারে তুমি কল্পনা করতে পারো

 

It’s not about making the right choice. 

It’s about making a choice and making it right.

— J.R Rim

 

নিজের প্রাপ্তিকে কাজে না লাগিয়ে গর্ব করায় ব্যস্ত থাকা :

 

নিজের পারদর্শিতা কিসে বের করতে পেরেছ? নিজের ক্ষমতা বের করতে পেরেছ? নতুন কিছু অর্জন করতে পেরেছ? অনেক অনেক ভাল বিষয় এটা। কিন্তু এটা আমাদের বেশীদিন কাজে আসবে না যদিনা তুমি এটিকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারো।

 

তোমার যে বিশেষগুণটার বলে তুমি নতুন কিছু অর্জন করেছ সেই গুণটিকে শানিতে করো। সেটিকে চর্চা করা। সেটিকে আরো বর্ধন করার চেষ্টা করা।

 

 

কিন্তু সেই কাজ বাদে যদি আমরা এই মূল্যবান সময় গর্ব করায় নষ্ট করি তাহলে পরে আফসোস করা ছাড়া কিছুই থাকবে না। অনেকেই আছে যারা অন্যদের তুলনায় অনেক মেধাবী। কিন্তু শুধুমাত্র চর্চা আর পরিশ্রমের অভাবে এই মেধাগুলো ঝরে পরে যায়। অনেককে দেখা যায় তাদের এই মেধাকে নিয়ে গর্ব করতে। কিন্তু আসলেই এটি মেধার অপচয় ছাড়া কিছুই না। তাই সকলেরই উচিত নিজের অর্জনকে আরো বৃদ্ধি করার চেষ্টা করা, এটাকে নিয়ে গর্ব করে সময় নষ্ট করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

 

৬. ধ্বংস করার আবেগে কাজ শুরু করা :

 

প্রতিযোগিতার সময় এখন। প্রতিদিনই বিভিন্ন প্রতিযোগিতা জয়ের মাধ্যমে আমাদের এগিয়ে যেতে হয়। এক্ষেত্রে আমাদের প্রশ্ন আসতে পারে যে আমাদের প্রতিযোগিতা কার সাথে?? পারিপার্শ্বিক সবার সাথেই।  কিন্তু প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে প্রতিযোগী কাউকেই আমাদের শত্রু বানিয়ে ফেলা উচিত না।

 

 

জীবনে বড় হওয়ার চেষ্টায় অন্যকে ছাপিয়ে যাওয়ার মনোভাব ভাল কিন্তু অন্যকে ধ্বংস করার মনোভাব নয়। কারণ, তখন তোমার  মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে তোমার আসল লক্ষ্যের চেয়ে সেই মানুষ টাকে ধ্বংস করার দিকেই বেশি থাকে। এতে করে তোমার সেই দিকের কাজ কমে যাবে। তুমি দিন শেষে আর কখনো সেই লক্ষ্যে  পৌছাতেই পারবে না। কোন এক সময় হয়তোবা দেখে ফেলবে যে সেই মানুষটাই তোমার চেয়ে এগিয়ে গেছে।

 

অন্যকে ধ্বংসে মনোভাব নিয়ে কাজ শুরু না করে বরং তুমি কিছু অর্জনের লক্ষ্যে কাজ শুরু করো। দেখবে তুমি সফলতা পাওয়া ততটাও কঠিন না।

 

. হেরে যাওয়ার ভয় নিয়ে বসে থেকো না তুমি :

 

বিংশ শতাব্দীর এই যুগ এখনই অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং। আমরা পারি না, করতে অভ্যস্ত না বা দক্ষতা কম এমন সব কাজই আমাদের করতে হয়। আবার সব কাজে দক্ষতা আনাও একটু সময়ের ব্যাপার। তাই বলে যতদিন পর্যন্ত তোমার দক্ষতা আসে নি ততদিন কি তুমি হাত পা গুটায় বসে থাকবে? এমনি অনেক সময় দেখা যায় যে কাজে দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও সফলতা একবারে নাও আসতে পারে। 

 

 

হেরে যাওয়ার ভয়ে আমরা চেষ্টাই যদি না করি তাহলে তো আমরা যুদ্ধে নামার আগেই হেরে গেলাম। আর রবার্ট ব্রুস এর গল্প থেকে তো আমরা জানিই যে,

 

  Failure is the pillar of success

 

তাহলে আমরা কেনোই বা হাত গুটিয়ে বসে থাকব? আর হেরে গেলেও বা ভয়ের কি আছে? লজ্জার কিছু নেই। বরং সেই হার থেকেও আমরা নতুন কিছু শিখতে পারব। বার বার এভাবে শিখতে শিখতেই আমরা সফলতা পাব। 

তাই আসলেই ভয় নিয়ে বসে থাকা আমাদের উৎসাহ কমানো ছাড়া আর কোন কাজে আসে না। এটি আমরা মাথায় রাখতে পারি যে,

 

If you want to conquer your fear, don’t sit home & think about it. Go out and get busy

—Dale Carnegie

 

. হিংসা বা আক্ষেপ ধরে রাখা :

 

তুমি কোন কাজ ঠিক মত পারছো না? অথচ অন্যকেউ তা ঠিকই করে ফেলেছে? রাগ হয় বা হিংসা হচ্ছে? কার ওপর?? নিজের ওপর নাকি তার ওপর? যদি রাগটা নিজের ওপর হয় তাহলেও লাভ আছে কিন্তু যদি হয় অন্যের ওপর তাহলে তুমি শুধু শুধুই তোমার সময় নষ্ট করছ। কারো অর্জনে তোমার হিংসা হলে তুমি নিত্যন্তই দূর্বল একজন মানুষ। যে অর্জন করেছে সে অবশ্যই তোমার চেয়ে বেশি শ্রম দিয়েছে। তোমার চেয়ে বেশি চেষ্টা করেছে। তোমার যদি তা পাইতেই হয় তবে তুমিও চেষ্টা করো, তার কাছে থেকে শেখো। 

 

তার প্রাপ্তিতে ইর্ষান্বিত হয়ে আসলে তুমি কিছুই পাবে না। অথচ এই রাগ তোমাকে খারাপ কাজে লিপ্ত করাতে পারে। তোমার অন্য কাজে মনোযোগ কমায় ফেলতে পারে। রাগ তোমার মনে উন্নত কল্পনাকে আসতে বাঁধা দিবে। 

তাই অন্যদের প্রতি রাগ বা আক্ষেপ এখনই ঝেড়ে ফেলো। কারণ,

 

The jealous are troublesome to others but torment to themselves.

— William Penn

 

. শুরু থেকেই নির্ভুল থাকতে চাওয়া:

 

প্রায়ই দেখা যায় যে আমরা অনেক পরিকল্পনা করি কাজের শুরুতে। উদ্দেশ্য একটাই, কাজটাকে সঠিকভাবে পরিচালনা করা। হ্যা সবাই চাবে এভাবে করতে যেন এককাজে বার বার সময় নষ্ট না হয়। 

 

কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় যে কি করলে ভুল হবে না বা কি করলে সময় নষ্ট হবে না এইটা ভাবতে ভাবতেই আমাদের অনেক সময় চলে যায়। শেষ করে ফলটাই আমাদের মন মত হয় না। 

 

অনেকে থাকেন যারা পড়াশুনা শেষে নতুন উদ্যোগ নেয়। ব্যবসা বা নিজেদের কিছু করার চেষ্টা করে। তাদের প্রথম চাওয়াই থাকে যে কাজটা যেন নির্ভুল হয়। এর ফলে কোন কারণে কাজে ভুল হলে বা ব্যবসাটা সফল না দেখা যায় যে উদ্দামতা হারিয়ে ফেলে। 

 

ছাত্রদের ক্ষেত্রেও দেখা যায় যে, অনেকে একাডেমিক লেখাপড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। যেটি অনেক বেশি ভাল বিষয়। কিন্তু তাদের অনেকেই শুধু প্রতিযোগিতা জিততে চায়, কেউ শিখতে চায় না। ভুল হলেও যে সেটা আমাদেরই চিন্তার ভুলগুলো শিখিয়ে দেয় সেটা আমরা শিখতে চাই না। তাই অনেক সময় দেখা যায় যে একবার হেরে গেলে তারা নিরুৎসাহিত হয়ে পরে। আর পরবর্তিতে নতুন কিছু শেখার আগ্রহ থাকে না।

তাই নির্ভুল থাকার এই চিন্তাটা আমাদের বাদ দিতে হবে।

 

I’m imperfect & yet my imperfections like any great work of art, are what made me a masterpiece.

— Kelsey Silver

 

১০. অতীতের ভুলের কথা মনে করে নতুন সীদ্ধান্ত নেওয়া থেকে বিরত থাকা :

 

মানুষ মাত্রই ভুল। কোন কিছু করতে চাইলে তাতে ভুল হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু না, লজ্জারও কিছু না। ভুল হওয়া মানে হেরে যাওয়া না। ভুল হওয়া মানে আরো ভাল করার আরেকটি সুযোগ। 

 

একজন মানুষ শিখে যেই কাজগুলো করে তার চেয়ে অনেক বেশি শিখে সেই কাজটা ভুল করে।

 

হ্যা, ভুল করেই সে বেশি শেখে। কেননা, পরের বার যতবারই সে কাজটা করতে যাবে তার এটা বার বার মনে হবে যে, কোন কোন ভুল সে আগেরবার করেছে। এতে করে সে আরো সাবধান হয়ে যাবে, সেই সাথে বাকি ভুল গুলোর ব্যাপারেও তার ধারণা হয়ে যাবে।

 

আমার মনে আছে, ৫ম শ্রেনীর একটা গণিত পরীক্ষাতে আমি একটা ভুল করায় স্যার আমার সম্পূর্ণ ম্যাথটি কেটে দিয়েছিল। যার কারণে আমি খুঁজে বের করেছিলাম যে আসলে কি ভুলটি আমি করেছিলাম এবং এরপর থেকে আমার আর কোনদিনই সেই ম্যাথটা ভুল হয়নি।

 

আমাদের জীবনে অনেক সীদ্ধান্তই সঠিক পরিকল্পনার অভাবে আমার প্রতিষ্ঠা করতে পারি না, অনেক সময় ভয় পেয়ে বসে থাকি। কিন্তু তা ঠিক না। ভুল করা কখনো হেরে যাওয়া না, থেমে যাওয়াই আসলে হেরে যাওয়া।

 

এই কথাটি আমরা মনে করতে পারি যে, ” Don’t be afraid of making mistakes. Mistakes are proof that you are trying “

 

 

দিন শেষে আমরা কি বুঝতে পারি??? এই বিষয় গুলো কি আমরা প্রতিনিয়ত করে আসছি না? আমরা হয়তোবা ব্যাপারগুলো জানিও কিন্তু তবুও এসব নিয়েই ভাবতে থাকি। কিন্তু দিন শেষে এগুলো আমাদের উৎসাহ কমায় দেওয়া, ভয় বাড়ানো, সময় নষ্টআগ্রহ কমানো ছাড়া আর কোন কাজে আসে না। তাই এসব বিপরীত কথা না ভেবে আজ থেকেই আমাদের পরবর্তী কল্পনা নিয়ে কাজ করা উচিৎ।

 

https://www.facebook.com/spikestoryOfficial/videos/513639008974905/

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *